30 সেকেন্ডের টাইপিং টেস্ট
Loading the test…
30 সেকেন্ডের টাইপিং টেস্ট আপনার স্পিডের সবচেয়ে দ্রুত সৎ মাপ: আধা মিনিট প্রচলিত বাংলা শব্দ, তারপর পূর্ণ রেজাল্ট স্ক্রিন, যেখানে থাকে নেট WPM, র WPM, নির্ভুলতা আর প্রতি সেকেন্ডের চার্ট। প্রথম কি চাপার সাথে সাথে ঘড়ি চালু হয় আর 30 সেকেন্ডে নিজে থেকেই থেমে যায়; যে শব্দের মাঝপথে আছেন, সেটাও গোনা হয়। আমাদের হোমপেজের টেস্টেও এটাই ডিফল্ট দৈর্ঘ্য।
আধা মিনিট আসলে কী মাপে
তিরিশ সেকেন্ড মানে একটা স্প্রিন্ট। ক্লান্ত হওয়ার সময় নেই, মনোযোগ হারানোরও সময় নেই, আর একটা ভালো শুরুই পুরো ফলাফল টেনে নিয়ে যায়। তাই কয়েকটা নির্দিষ্ট কাজের জন্য এটা ঠিক টেস্ট, আর অন্য কিছু কাজের জন্য ভুল।
লম্বা টেস্টের আগে ওয়ার্ম-আপ করতে, নতুন কিবোর্ড বা নতুন লেআউটে হাত দ্রুত চলছে কি না দেখতে, কিংবা হাতে মাত্র এক মিনিট থাকলে একটা সংখ্যা পেতে এটা ব্যবহার করুন। চাকরির আবেদনে যে সংখ্যা লিখবেন, সেটা হিসেবে এটা ব্যবহার করবেন না। একই মানুষের ক্ষেত্রে ছোট টেস্টের ফল সাধারণত লম্বা টেস্টের চেয়ে বেশি আসে, আর কোনো নিয়োগকর্তা পাঁচ মিনিট ধরে টেস্ট নিলে তিনি কম কিন্তু বেশি স্থির সংখ্যাটাই দেখবেন।
30 সেকেন্ডের টেস্টের হিসাব
প্রতিটি স্ট্যান্ডার্ড শব্দ স্পেসসহ 5 ক্যারেক্টারের, আর সময় আধা মিনিট। তাই আপনার ক্যারেক্টার সংখ্যা হলো আপনার WPM গুণ 2.5।
| নেট WPM | 30 সেকেন্ডে টাইপ করা ক্যারেক্টার | আমাদের বাংলা তালিকার আসল শব্দ (আনুমানিক) |
|---|---|---|
| 40 | 100 | 18 |
| 52 | 130 | 23 |
| 60 | 150 | 27 |
| 80 | 200 | 36 |
| 100 | 250 | 45 |
শেষ কলামটি আমাদের 1,000 শব্দের বাংলা তালিকার শব্দগুলোর গড় দৈর্ঘ্য, 4.57 ক্যারেক্টার (কার-চিহ্ন ও হসন্তসহ), আর একটি স্পেস ধরে হিসাব করা। এ থেকেই বোঝা যায়, রেজাল্ট স্ক্রিনের শব্দভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখানো শব্দের সংখ্যা কেন আপনার WPM-এর চেয়ে কম আসে।
ছোট নমুনা খুব সংবেদনশীল। একটি শব্দ ভুল রেখে দিলে নেট হিসাব থেকে প্রায় 6 ক্যারেক্টার বাদ যায়, আর আধা মিনিটে ভাগ করলে তা প্রায় 2.2 WPM কম। 60 WPM-এ আধা সেকেন্ড থমকে গেলে প্রায় 1 WPM কমে। দুটো টাইপো আর একবার হোঁচট খেলেই, আঙুল একটুও ধীর না হলেও, আপনি 64 থেকে 58-এ নেমে যেতে পারেন।
ঘড়ি আর স্কোরিং কীভাবে কাজ করে
নেট WPM শুধু সেই শব্দগুলো গোনে যেগুলো আপনি একদম সঠিক টাইপ করেছেন, প্রতিটির পরের স্পেসসহ, তারপর 5 দিয়ে আর পার হওয়া সময় দিয়ে ভাগ করে। র WPM আপনার টাইপ করা প্রতিটি ক্যারেক্টার গোনে, সঠিক হোক বা ভুল। নির্ভুলতা হলো সঠিক ক্যারেক্টার কি-প্রেসকে সব ক্যারেক্টার কি-প্রেস দিয়ে ভাগ; ভুল কি চাপলে সেটা ভুলই থাকে, ব্যাকস্পেস দিয়ে ঠিক করলেও। পূর্ণ সংজ্ঞাগুলো মেট্রিকস পেজে আছে।
টেস্টের দৈর্ঘ্য বদলালে স্কোরিংয়ের কিছুই বদলায় না, তাই 30 সেকেন্ডের ফল 1 মিনিটের টেস্ট বা 2 মিনিটের টেস্টের সাথে একই মাপকাঠিতে বসে। এদের মধ্যে যে পার্থক্য দেখেন, সেটা আপনার, সূত্রের নয়।
প্রতিটি ফলাফল আমাদের সার্ভারে কিস্ট্রোক লগ থেকে আবার হিসাব করা হয়। অস্বাভাবিক কিস্ট্রোক টাইমিংসহ 130 WPM-এর বেশি স্প্রিন্ট স্কোর পাবলিক বোর্ডে ওঠে না, যতক্ষণ না টাইপিস্ট 30 সেকেন্ডের একটি যাচাই পুনঃটেস্ট পাস করেন। এভাবেই অ্যান্টি-চিট চেক দ্রুত আধা মিনিটের রানগুলোকে বিশ্বাসযোগ্য রাখে।
স্প্রিন্ট স্কোর পড়ার আরও ভালো উপায়
30 সেকেন্ডের একটি রান মানে একটিমাত্র নমুনা। তিনটি রান অনেক বেশি কিছু বলে। প্রতিবার চেষ্টার মাঝে Tab চাপুন, একই সেটিংসে নতুন লেখা পাবেন, তারপর স্কোরগুলো কতটা ছড়িয়ে আছে দেখুন:
- তিনটি স্কোর একে অপরের কয়েক WPM-এর মধ্যে থাকলে মাঝের মানটি (মিডিয়ান) একটি ন্যায্য স্প্রিন্ট সংখ্যা।
- একটি রান অনেক বেশি হলে সম্ভবত ভাগ্যক্রমে ছোট শব্দ বেশি এসেছিল। সেটা বাদ দিন।
- প্রতি রানে স্কোর বাড়তে থাকলে আপনি তখনো ওয়ার্ম-আপ করছিলেন। আরও দুটো দিন আর শেষ তিনটির মিডিয়ান নিন।
তারপর সেই মিডিয়ান একটি লম্বা টেস্টের সাথে মিলিয়ে দেখুন। 30 সেকেন্ড আর 2 মিনিটের সংখ্যার মধ্যে বড় ফারাক মানে গতি ধরে রাখা বা দমের সমস্যা, যা ধীর আঙুলের চেয়ে আলাদা সমস্যা এবং এর জন্য আলাদা অনুশীলন লাগে।
30 সেকেন্ডে কত হলে ভালো
সবচেয়ে ভালো রেফারেন্স হলো আল্টো ইউনিভার্সিটি ও কেমব্রিজের 2018 সালের গবেষণা, যেখানে প্রায় 1,68,000 স্বেচ্ছাসেবকের টাইপিং রেকর্ড করা হয়েছিল: তাঁদের গড় ছিল 52 WPM আর বেশিরভাগ মানুষ 30 থেকে 60-এর মধ্যে টাইপ করেছেন। স্প্রিন্ট সবার স্কোরই একটু বাড়িয়ে দেখায়, তাই আধা মিনিটের স্কোরকে ওই সীমার মাঝখানের বদলে ওপরের দিকের সাথে মিলিয়ে পড়ুন। এই টেস্টে 70 আর 5 মিনিটের টেস্টে 60 পাওয়া একটি স্বাভাবিক প্যাটার্ন।
প্রায়ই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন
30 সেকেন্ডের টাইপিং টেস্ট কি সঠিক মাপের জন্য যথেষ্ট লম্বা?
একই দিনে নিজের অগ্রগতি দেখার জন্য এটা ঠিক আছে। আপনার স্পিডের স্থির মাপ হিসেবে এতে অনেক ওঠানামা থাকে, কারণ দু-একটি শব্দই ফলাফলকে কয়েক WPM সরিয়ে দেয়। তিনবার দিন আর মিডিয়ান ব্যবহার করুন।
লম্বা টেস্ট দিলে আমার স্কোর কমে গেল কেন?
ছোট টেস্ট দ্রুত শুরুকে পুরস্কৃত করে। কয়েক মিনিটে আপনার ছন্দ থিতু হয়, ছোট ছোট ভুল জমে, আর কঠোর নেট সূত্র প্রতিটি ভুল শব্দ বাদ দেয়। লম্বা টেস্টের সংখ্যাটাই আসল কাজের স্পিডের পূর্বাভাস দেয়।
আমার ফলাফলের নিচের চার্টটি কী দেখায়?
তিরিশটি বিন্দু, প্রতি সেকেন্ডে একটি: আপনার চলমান নেট স্পিড, সেই সেকেন্ডের র স্পিড আর যেকোনো ভুল। হঠাৎ নেমে যাওয়া অংশগুলো সাধারণত কোনো লম্বা শব্দ বা সংশোধনের সাথে মিলে যায়, আর নিচের শব্দভিত্তিক বিশ্লেষণে সেই শব্দগুলোর নাম থাকে যেগুলোতে আপনার সময় গেছে।
30 সেকেন্ডের টেস্টে কি যতিচিহ্ন বা সংখ্যা যোগ করা যায়?
হ্যাঁ, দুটো টগলই টেস্টের ওপরের রিবনে আছে। এগুলো চালু থাকলে স্কোর কম আসবে বলে ধরে নিন; Shift লাগে এমন কি ঠিকমতো অনুশীলনের জন্য যতিচিহ্ন টেস্ট বেশি উপযোগী।
এই টেস্ট কি আমার সেরা স্কোর সেভ করে?
এই নির্দিষ্ট মোডে আপনার ব্যক্তিগত সেরা সাইন ইন ছাড়াই আপনার ডিভাইসে থেকে যায়। ম্যাজিক লিংক, Google বা GitHub দিয়ে সাইন ইন করলে বিভিন্ন ডিভাইস জুড়ে হিস্ট্রি যোগ হয়।