টাচ টাইপিং শিখতে আঙুলগুলো হোম রো-তে রাখুন (A S D F আর J K L ;), চোখ স্ক্রিনে রেখে প্রতিদিন কয়েকটি নতুন কি শিখুন, আর রোজ ছোট ছোট সেশনে অনুশীলন করুন যতক্ষণ না প্রতিটি কি সবসময় একই আঙুলে চাপা হয়। একজন প্রাপ্তবয়স্কের জন্য কঠিন অংশটা খুব কমই কি শেখা। কঠিন হলো আগের টাইপ করার পদ্ধতিতে ফিরে না যাওয়া, যা প্রথম কয়েক সপ্তাহ বেশি দ্রুত এবং ব্যস্ততার সময় খুবই লোভনীয়।
এই গাইড তাঁদের জন্য, যাঁরা বছরের পর বছর চার বা ছয় আঙুলে, বারবার নিচে তাকিয়ে টাইপ করে এসেছেন। এতে আছে দিনে 20 থেকে 30 মিনিটের দুই সপ্তাহের একটি পরিকল্পনা, আর তার পরের সপ্তাহগুলোর কথা, যেখানে বেশিরভাগ চেষ্টা ব্যর্থ হয়।
শুরুর আগে: আপনার আদৌ দরকার কি না ঠিক করুন
হয়তো দরকার নেই। 2016 সালে Aalto University-র একটি গবেষণায়, যেখানে 30 জন টাইপিস্টকে ভিডিও করা হয়েছিল, নিজে শেখা টাইপিস্টদের গড় ছিল 58.9 WPM আর প্রশিক্ষিত টাচ টাইপিস্টদের 57.8, কোনো উল্লেখযোগ্য পার্থক্য ছাড়া। প্রতি হাতে এক বা দুই আঙুল ব্যবহার করা কেউ কেউ 70 WPM ছাড়িয়েছিলেন। তবে নিজে শেখা দলটি তাদের সময়ের প্রায় 40% কিবোর্ডের দিকে তাকিয়ে কাটিয়েছিল, টাচ টাইপিস্টদের প্রায় 20%-এর তুলনায়, আর এটাই আপনাকে দিতে হওয়া মাশুল। কখন নতুন করে শেখা লাভজনক, তা নিয়ে আছে আমাদের টাচ টাইপিং বনাম হান্ট অ্যান্ড পেক লেখাটি।
আপনি যদি বেশিরভাগ কি-র জন্য নিচে তাকান বা মোটামুটি 35 WPM-এর কম টাইপ করেন, তাহলে খুব সম্ভবত এটা লাভজনক। আপনি যদি নিজের পদ্ধতিতে 70 WPM-এ থাকেন এবং কদাচিৎ নিচে তাকান, তাহলে আপনার লাভ কম।
আসলে কী কারণে প্রাপ্তবয়স্করা ব্যর্থ হন
Technion-এর গবেষকেরা 22 জন শিক্ষার্থীকে 8 ঘণ্টার একটি টাচ টাইপিং কোর্স করিয়ে তারপর তাদের নিজেদের হোমওয়ার্ক টাইপ করতে দিয়েছিলেন। কোর্সের আগে তারা তাকিয়ে টাইপ করত 18.4 WPM-এ, আর না তাকিয়ে মাত্র 8.1 WPM-এ। কোর্স শেষে তাদের টাচ টাইপিং পৌঁছায় 21.1 WPM-এ। গবেষণাপত্রের প্রথম লাইনটিই সেই সতর্কবাণী, যা প্রতিটি প্রাপ্তবয়স্ক শিক্ষার্থীর দরকার: প্রশিক্ষণে সফল হলেই দক্ষতাটি দৈনন্দিন ব্যবহারে চলে আসবে, এমন নিশ্চয়তা নেই।
লেখকদের ব্যাখ্যা হলো, মানুষ সেই পদ্ধতিই বেছে নেয় যা এই মুহূর্তে লাভ দেয়। কি দেখে টাইপ করা কয়েক সপ্তাহ ধরে বেশি দ্রুত, তাই ডেডলাইনের চাপে আপনি সেখানেই ফিরে যান। যে দলটি সবচেয়ে ভালো করেছিল, তাদের অনুশীলনে কিবোর্ডের দিকে তাকানোর জন্য একটি ছোট শাস্তি রাখা ছিল, আর তাদের টাচ টাইপিং কন্ট্রোল গ্রুপের চেয়ে প্রায় 25% দ্রুত হয়েছিল।
তাই নিচের পরিকল্পনায় একটি নিয়ম আছে যা যেকোনো ড্রিলের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ: একবার শুরু করলে কি-র দিকে আর তাকাবেন না, ধীর হলেও, বিরক্তিকর লাগলেও।
প্রথম দিনের আগে প্রস্তুতি
- এমনভাবে বসুন যাতে আপনার কনুই থেকে কবজি পর্যন্ত হাত মোটামুটি কিবোর্ডের সমান উচ্চতায় থাকে এবং কবজি ওপরের দিকে বেঁকে না থাকে।
- তর্জনী দিয়ে F আর J-এর উঁচু চিহ্ন খুঁজে নিন। বাকি আঙুলগুলো থাকে A S D আর K L ;-এর ওপর, আর বুড়ো আঙুল স্পেস বারের ওপর ভাসে।
- আমাদের টাচ টাইপিং ফিঙ্গার চার্ট একবার পড়ে নিন। এখনই মুখস্থ করার দরকার নেই।
- নিজেকে তাকানো থেকে আটকানোর একটা উপায় বেছে নিন: হাতের ওপর একটি গামছা বা কার্ডবোর্ডের বাক্স কাজ করে।
- ডান হাতে টাইপ করা অক্ষরের জন্য বাম Shift আর বাম হাতের অক্ষরের জন্য ডান Shift চেপে ধরুন। নিজে শেখা টাইপিস্টদের সবচেয়ে বেশি এই অভ্যাসটিরই অভাব থাকে।
দুই সপ্তাহের টাচ টাইপিং পরিকল্পনা
প্রতিটি দিনের গঠন একই: আগের দিনের কি-গুলোর 5 মিনিট পুনরালোচনা, নতুন কি-গুলোতে 10 থেকে 15 মিনিট, আর শেষে কয়েক মিনিট আসল শব্দ। বিশ থেকে ত্রিশ মিনিটই যথেষ্ট। যদি একটিমাত্র সেশন করতে পারেন, তাহলে সপ্তাহান্তে দ্বিগুণ না করে প্রতিদিন করুন; এর কারণ নিচে আছে।
দিন 1 থেকে 6 পর্যন্ত যেকোনো সাধারণ টেক্সট এডিটরে টাইপ করুন। শুধু জানা কি দিয়ে গড়া আসল শব্দ এলোমেলো অক্ষরের চেয়ে ভালো, কারণ সেগুলো সেই নড়াচড়াই অভ্যাস করায় যা আপনি আসলে ব্যবহার করবেন। শব্দগুলো ইংরেজি, কারণ পরিকল্পনাটি QWERTY লেআউটের জন্য; বাংলা লেখার জন্য Bijoy বা Avro যেটাই ব্যবহার করুন, কিবোর্ডে আঙুলের হোম পজিশন একই থাকে।
সপ্তাহ 1: অক্ষরগুলো
দিন 1: শুধু হোম রো। ক্রমানুসারে a, s, d, f, j, k, l, ; টাইপ করুন, তারপর শব্দ: as, add, all, fall, flask, salad, alfalfa। এতটা ধীরে চলুন যাতে কখনো ভুল কি না চাপেন। এই সপ্তাহে নির্ভুলতাই আসল কাজ।
দিন 2: E আর I, মধ্যমা ওপরে বাড়িয়ে। শব্দ: idea, slide, field, likes, failed, ideas। প্রতিবার হাত বাড়িয়ে সোজা হোমে ফিরে আসুন।
দিন 3: R, T, U আর Y, তর্জনী দিয়ে। শব্দ: true, style, fruit, trusty, sturdy, jury। G বা H আছে এমন শব্দ বাদ দিন; সেগুলো আসবে কাল।
দিন 4: G আর H, তর্জনী ভেতরের দিকে সরিয়ে। শব্দ: light, high, height, eighth, grudge। এখন বেশিরভাগ প্রচলিত ছোট শব্দই হাতের নাগালে, আর অনুশীলনটা টাইপিংয়ের মতো লাগতে শুরু করে।
দিন 5: O, W, Q আর P, ওপরের সারিতে অনামিকা আর কড়ে আঙুল। শব্দ: power, quote, people, upward, request। বেশিরভাগ মানুষের জন্য P হলো প্রথম অস্বস্তিকর নাগাল; এটি পিছিয়ে থাকবে বলে ধরে নিন।
দিন 6: নিচের সারি, C V B N M, তারপর X Z , . /। শব্দ: mix, crazy, number, novel, combat। নিচের সারির কি-গুলোতেই মানুষ চুপিচুপি ভুল আঙুলে ফিরে যায়, প্রায়ই তর্জনী দিয়ে C। এর দিকে নজর রাখুন।
দিন 7: নতুন কি থেকে বিরতি। হাত ঢেকে তিন-চারবার একটি 10 শব্দের টেস্ট দিন। স্পিড কোনো ব্যাপার নয়। গুনুন কতবার থেমে ভাবতে হয়েছে। দশের কোঠার নিচের দিকে বা তারও কম WPM আশা করুন, আর হতাশ হবেন না: Technion-এর গবেষণায় শিক্ষার্থীরা না তাকিয়ে 8 WPM থেকে শুরু করেছিল।
সপ্তাহ 2: আসল লেখা
দিন 8: বড় হাতের অক্ষর আর Shift। নামসহ বাক্য টাইপ করুন, প্রতিবার উল্টোদিকের Shift চেপে। ভুল Shift দিয়ে ফাঁকি দেওয়ার চেয়ে ধীর হোন; অভ্যাসটা এই সপ্তাহেই বসবে, নইলে আর কখনো নয়।
দিন 9: আসল টেস্ট শুরু করুন। নির্ভুলতাকে লক্ষ্য রেখে কয়েকটি 25 শব্দের টেস্ট দিন: স্পিড বাড়ানোর অনুমতি দেওয়ার আগে 95% বা তার বেশি। শব্দসংখ্যার টেস্টে ঘড়ি চালু হয় আপনার প্রথম কিস্ট্রোকে, তাই শুরুর আগে একটা শ্বাস নিন।
দিন 10: একই, সঙ্গে একটু যতিচিহ্ন: কমা, ফুল স্টপ আর অ্যাপোস্ট্রফি, সবই ডান হাতের মধ্যমা, অনামিকা আর কড়ে আঙুলে।
দিন 11: অনুশীলন পেজে চলে যান। কয়েকটি টেস্টের পরে এর কাছে কাজ করার মতো ফলাফল থাকে, আর এটি 50 শব্দের ড্রিল তৈরি করে, যেগুলো আপনার ভুল হওয়া কি ও শব্দের দিকে ঝোঁকে, প্রচলিত শব্দের সঙ্গে মিশিয়ে। এখনও কোনো ইতিহাস না থাকলে এটি প্রচলিত শব্দ দেয়, যা আজকের জন্য ঠিক আছে।
দিন 12: সেশনের শুরুতে একটি 1 মিনিটের টেস্ট আর শেষে একটি, মাঝে অনুশীলন ড্রিল। পরে সবচেয়ে বেশি ভুল হওয়া কি-গুলো দেখুন। এক-দুটি কি আলাদা করে চোখে পড়বে; সেগুলোই কালকের কাজ।
দিন 13: ধীর কি-গুলোর ড্রিল করুন। যদি কোনো কি ধীর হয় কারণ কোন আঙুলে চাপবেন তা নিয়ে এখনও নিশ্চিত নন, চার্ট দেখে একটা সিদ্ধান্ত নিন।
দিন 14: তিনটি 1 মিনিটের টেস্ট দিন এবং মাঝের স্কোরটি রাখুন। আজকের তারিখসহ লিখে রাখুন। এটাই পরের সপ্তাহগুলোর জন্য আপনার ভিত্তিরেখা।
দুই সপ্তাহ শেষে কী আশা করবেন
দিনে 20 থেকে 30 মিনিট করে দুই সপ্তাহ মানে মোটামুটি 5 থেকে 7 ঘণ্টার অনুশীলন। এটি Technion-এর কোর্সের চেয়ে একটু কম, যেখানে শিক্ষার্থীদের শেষ করতে প্রায় 8 ঘণ্টা লেগেছিল এবং শেষে তারা প্রায় 21 WPM-এ টাচ টাইপ করত। তাই বাস্তবসম্মত প্রত্যাশা হলো না তাকিয়ে মোটামুটি 15 থেকে 25 WPM, উচ্চ নির্ভুলতায়, আর খুব সম্ভবত আপনার পুরোনো পদ্ধতির চেয়ে ধীর। আমাদের টাচ টাইপিং শিখতে কত সময় লাগে লেখায় দীর্ঘ সময়রেখাটি আছে।
একই গবেষণা দেখায় চালিয়ে গেলে এরপর কী হয়। নিজেদের হোমওয়ার্ক আরও 6 ঘণ্টা টাইপ করার পর শিক্ষার্থীদের টাচ টাইপিং বেড়ে 28.7 WPM-এ পৌঁছায়, কি দেখে টাইপ করার তাদের পুরোনো 18.4-এর অনেক ওপরে।
কেন রোজকার ছোট সেশন বেশি কাজ করে
1978 সালের একটি গবেষণায় ডাককর্মীদের চারটি ভিন্ন সময়সূচিতে একটি টাইপরাইটার কিবোর্ডে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছিল। যে দল দিনে এক ঘণ্টা অনুশীলন করেছিল, তারা গড়ে প্রায় 35 ঘণ্টার অনুশীলনে পুরো কিবোর্ড শিখে ফেলেছিল। দিনে দুটি 2 ঘণ্টার সেশন করা দলের লেগেছিল প্রায় 50 ঘণ্টা, আর 60 ঘণ্টাতেও তারা স্পিডে পিছিয়ে ছিল। কাজটি ছিল সাধারণ লেখার বদলে পোস্টকোডের মতো উপাদান টাইপ করা, কিন্তু অনুশীলনের ব্যবধান নিয়ে এটি সবচেয়ে পরিচিত ফলাফলগুলোর একটি: লম্বা দিনের চেয়ে বেশি দিন ভালো।
চাকরিজীবী একজন প্রাপ্তবয়স্কের জন্য এর মানে, প্রতিদিন কাজের আগে 20 মিনিট রবিবারের দুই ঘণ্টার সেশনকে হারিয়ে দেবে, আর তা চালিয়ে যাওয়াও সহজ।
সপ্তাহ 3 থেকে 6: পুরোপুরি বদলে ফেলা
আসল সিদ্ধান্তটা এখানেই হয়। আপনার সামনে তিনটি পথ, আর বেশিরভাগ মানুষের জন্য কাজ করে কেবল একটিই।
একবারে পুরো বদল: দিন 15 থেকে সবকিছু টাচ টাইপ করুন, অফিসের ইমেলও। কয়েক সপ্তাহ ধীর থাকবেন। আপনার কাজ যদি এটা সহ্য করতে পারে, তাহলে এটি কাজ করে।
ভাগাভাগি: এক-দুটি চাপের পরিস্থিতি, যেমন অফিসের লাইভ চ্যাট, বাদে সবকিছু টাচ টাইপ করুন। ব্যতিক্রম কম রাখুন এবং নির্দিষ্ট করে নাম দিন। যদি "ব্যস্ত থাকলে বাদে" একটা ব্যতিক্রম হয়, তাহলে এক মাসের মধ্যে আপনি পুরোনো পদ্ধতিতে ফিরে যাবেন।
শুধু অনুশীলনে: অনুশীলনের সেশনে টাচ টাইপ করুন আর দিনের বাকি সময় পুরোনো পদ্ধতিতে। এই পথটিই ব্যর্থ হয়। Technion-এর ফলাফল ঠিক এই ধরন: প্রশিক্ষণ কাজ করে, তবু দৈনন্দিন অভ্যাসই জেতে।
বদলের সময়টায় রোজ 10 মিনিটের একটি সেশন রাখুন এবং দিনে একটি 1 মিনিটের টেস্ট দিন। কাজের টাইপিং যখন ধীর লাগে, তখন আপনার হিস্ট্রি পেজে ঊর্ধ্বমুখী রেখাটাই আপনাকে টিকিয়ে রাখে। টাচ টাইপিং যখন আপনার পুরোনো স্পিড ছাড়িয়ে যাবে, তখন আমাদের 40 থেকে 80 WPM অনুশীলন পরিকল্পনা দিয়ে পরের ধাপ ঠিক করুন।
সাধারণ ভুলগুলো
"শুধু একবার দেখে নিতে" নিচে তাকানো। প্রতিবার তাকানো আপনার হাতকে শেখায় যে কি কোথায় তা জানার দরকার নেই।
সপ্তাহ 1-এ স্পিডের পেছনে ছোটা। এই পর্যায়ে ভুল মানে ভুল আঙুলের নড়াচড়ার অনুশীলন।
সংখ্যা আর চিহ্নগুলো কোনোদিনের জন্য ফেলে রাখা। অক্ষরগুলো স্থির হলে নম্বর রো-কে তার নিজের দুই সপ্তাহ দিন।
কঠিন কি এড়িয়ে চলা। যে কি-গুলো এড়িয়ে চলেন, সেগুলোই আপনাকে আবার তাকানোয় ফিরিয়ে নেয়।
প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন
এক সপ্তাহে কি টাচ টাইপিং শেখা যায়?
এক সপ্তাহে আপনি শিখে ফেলতে পারেন প্রতিটি অক্ষর কোথায়। আগের চেয়ে দ্রুত টাইপ করতে সাধারণত আরও কয়েক সপ্তাহ প্রতিদিন ব্যবহার করতে হয়।
কিবোর্ডের দিকে না তাকিয়ে টাইপ করা কীভাবে শিখব?
হাত একটি গামছা বা বাক্স দিয়ে ঢাকুন, তর্জনী F আর J-এর উঁচু চিহ্নে রাখুন, আর এতটা ধীর হোন যাতে অনুভব করে প্রতিটি কি খুঁজে পান। স্পিড আসে অভ্যাসের পরে, আগে নয়।
প্রাপ্তবয়স্ক হিসেবে টাচ টাইপিং শেখার কি অনেক দেরি হয়ে গেছে?
না। ওপরের গবেষণাগুলো প্রাপ্তবয়স্কদের নিয়েই করা, আর Technion-এর শিক্ষার্থীরা প্রায় 14 ঘণ্টার প্রশিক্ষণ ও ব্যবহারে না তাকিয়ে 8 WPM থেকে প্রায় 29 WPM-এ পৌঁছেছিল। প্রাপ্তবয়স্কদের বাধা হলো পুরোনো অভ্যাস, বয়স নয়।
সূত্র
- Yechiam, Erev, Yehene and Gopher (2003), Melioration and the Transition from Touch-Typing Training to Everyday Use, Human Factors
- Feit, Weir and Oulasvirta (2016), How We Type: Movement Strategies and Performance in Everyday Typing, CHI '16
- Baddeley and Longman (1978), The Influence of Length and Frequency of Training Session on the Rate of Learning to Type, Ergonomics